লাইনচ্যুত হল না শতাব্দীর, লাইন মেরামতি করে তৃনমূলকে বাঁচিয়ে নিলো অভিষেক

খবর ছিল আগামীকাল লাইনচ্যুত হবার সম্ভাবনা রয়েছে শতাব্দীর। কিন্তু শেষে এসে লাইন মেরামতি করে ম্যাচটাই ঘুরিয়ে দিলেন তৃনমূল সভানেত্রীর ভাইপো তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিই সন্ধে সাড়ে ৬টা নাগাদ তাঁকে নিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়েক কার্যালয়ে যান দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। সেখানে তাঁদের মধ্যে বৈঠক চলে দু’‌ঘণ্টা ধরে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসে শতাব্দী রায় পরিষ্কার জানালেন, দলের সঙ্গেই থাকছেন। কাল, শনিবার দিল্লি যাচ্ছেন না তিনি। দুপুর ২টোয় কোনও ফেসবুক লাইভও করবেন না।

-- advertisement --

এদিন বৈঠক শেষে বীরভূমের সাংসদ শতাব্দী রায় বলেন, ‘‌আমার যে অভিযোগ–অভিমান ছিল, যে সমস্যা হয়েছিল সেগুলি আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানিয়েছি। এবং সেই সমস্যার সমাধান হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।’‌ এই লড়াই আমাদের সবার। মমতার জন্যই তৃণমূলে আছি। তখনই সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন তিনি কি কাল, শনিবার দিল্লি যাচ্ছেন?‌ উত্তরে শতাব্দী বলেন, ‘‌না। আমি দিল্লি যাচ্ছি না।’‌ তার পরই হিন্দুস্থান টাইমস মারফত জানা যাচ্ছে, তিনি একটি অসম্পূর্ণ কথা বলেন, যা নিয়ে একটু হলেও জল্পনা থেকে যাচ্ছে। শতাব্দী বলেন,‌ ‘‌আমরা এই ক’‌মাস থেকে নিয়ে, শুনে নিয়ে, তার পর আমরা.‌.‌.‌.‌।’‌ কথাটি শেষ করতে পারেননি শতাব্দী। পাশাপাশি কুণাল ঘোষ জানান, ‘‌শতাব্দী দলের সাংসদ, দলের নেত্রী। দলেই আছেন, দলেই থাকবেন।’‌

বৃহস্পতিবার রাতে ফেসবুকে দলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বীরভূমের তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ শতাব্দী রায়। তবে আজ ফেসবুকে তিনি লেখেন- দিল্লি যাচ্ছি, পরিচিতদের সঙ্গে দেখা হওয়াটা অস্বাভাবিক নয়। তারপরেই অমিত শাহের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের সাক্ষাতের জল্পনায় পারদ চড়ে। মুকুল রায় এই মর্মে শতাব্দীকে ফোনও করেন বলে জানা যায়।