ওষুধ না খেয়ে ,ঘরোয়া পদ্ধতিতে জ্বর সারানোর উপায়

শীত চলে যাওয়ার পথে। শহরতলিতে ঠান্ডার বেশ আমেজ থাকলেও কলকাতা থেকে হঠাৎ করেই যেন উধাও শীত ।গায়ে গরমের পোশাক পড়লে গরম লাগছে।মৃদুমন্দ দখিনা বাতাসও বইছে।অনেকেই রাতে ফ্যান ছাড়া ঘুমোতে পারছেন না ।কখনো রোদ কখনো ঠান্ডা সব মিলিয়ে বাড়ছে শরীর খারাপ ।

জ্বর ,সর্দি ,কাশি এখন ঘরে ঘরে ।সেই সঙ্গে লাফিয়ে বেড়েছে ম্যালেরিয়া ,পক্সের প্রকোপ ।এই সময় এর সাথে গায়ে হাতে ব্যাথা থাকে ,সামান্য গা ম্যাজম্যাজ করলেই প্যারাসিটামল খান ।এই কথায় কথায় ওষুধ খাওয়া মোটেই ভালো নয় স্বাস্থ্যের পক্ষে ।কিছু ঘরোয়া উপায়ে সারতে পারে এই রোগ ব্যাধি –

মাথায় জলপট্টি দিন

জ্বর হলে শরীরের অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমানোর অন্যতম কার্যকরী পদ্ধতি হলো জলপট্টি দেওয়া। সেজন্য একটি পরিষ্কার রুমাল ভাঁজ করে সেটি পরিষ্কার জলে ভিজিয়ে নিন। এরপর ভেজা রুমালটি রোগীর কপালের উপর দিয়ে রাখতে হবে। এভাবে মিনিট দুয়েক পর রুমালটি পুনরায় ভিজিয়ে একইভাবে কপালের উপর দিয়ে রাখতে হবে। এভাবে কয়েকবার করলে শরীরের তাপমাত্রা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

চিকেন স্যুপ

প্রোটিন ও ক্যালরি সরবরাহ করার ক্ষেত্রে চিকেন স্যুপের কোনো বিকল্প নেই। জ্বরে অনেক সময় বমি, ডায়রিয়ার মতো লক্ষণ থাকে, সে ক্ষেত্রে এই স্যুপ ইলেকট্রোলাইট ব্যালান্স করতে সাহায্য করে। স্যুপের সঙ্গে সবজি মেশাতে পারলে তা থেকে পাওয়া যায় প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট। চিকেন-ভেজিটেবল স্যুপ জ্বর–পরবর্তী দুর্বলতা কমাতেও সাহায্য করে।

ডাবের জল

জ্বরের সময় দেহে জলশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইটের যে অসমতা তৈরি হয়, তা পূরণে ডাবের জলের কোনো বিকল্প নেই।

আদার ভূমিকা

আধা চা চামচ আদা বাটা ও এক চা চামচ মধু নিন। এককাপ গরম পানিতে আদা বাটা দিয়ে ভালোভাবে ফুটিয়ে নিন। এরপর তার সঙ্গে মেশান মধু। এই মিশ্রণ দিনে তিন-চারবার পান করতে হবে। এছাড়াও এক চা চামচ লেবুর রস, আধা চা চামচ আদার রস ও এক চা চামচ মধু মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে সেটিও দিনে তিন-চারবার খেতে পারেন। এতে জ্বর কমতে থাকবে। কারণ আদা হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টি ভাইরাস। এটি শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

ডিম

সেদ্ধ ডিম জ্বরের সময় প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করে। দুধ, পনির, মাশরুম দিয়ে ডিমভাজিও এ সময় বেশ মুখরোচক লাগে। ডিমের পুডিংও দেওয়া যেতে পারে।

Latest articles

Related articles