Home রাজ্য আক্রান্ত-মৃতের সংখ্যা কমছে বাংলায়, মাস্ক ছাড়া মানুষের ভিড়ে আশঙ্কা বাড়ছে

আক্রান্ত-মৃতের সংখ্যা কমছে বাংলায়, মাস্ক ছাড়া মানুষের ভিড়ে আশঙ্কা বাড়ছে

নতুন বছরের শুরুতেই বাংলার করোনা চিত্রে রীতিমতো আশার আলো। মাস খানেক আগেও যেখানে দৈনিক করোনা সংক্রমণ হচ্ছিল তিন হাজারের কাছাকাছি, সেখানে নতুন বছরের পঞ্চম দিনে তা নেমে এল ৮০০-র ঘরে। যদিও সোমবার অন্যান্য দিনের তুলনায় টেস্ট কম হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা নেমেছিল পাঁচশোর ঘরে। টেস্ট বাড়তে আক্রান্তও সামান্য বাড়লেও বাংলা যে করোনার বিরুদ্ধে অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক জায়গায় পৌঁছে গিয়েছে, তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট।

সোমবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ৩০, ৭১২ টেস্ট করে পজিটিভ রোগীর সন্ধান মিলেছে ৮১২। ফলে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ৩৮৪। যদিও তাঁদের মধ্যে ৫ লক্ষ ৩৭ হাজার ২৫০ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ফলে বর্তমানে বাংলায় অ্যাক্টিভ করোনা আক্রান্ত মাত্র ৯, ২৯৩ জন। তবে, আক্রান্তের সংখ্যা যথেষ্ট সন্তোষজনক হলেও এখনও দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে রয়েছে করোনায় মৃত্যু! গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ২৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন করোনা কামড়ে। কলকাতায় ৪, উত্তর ২৪ পরগনায় ৮, হুগলিতে ৩ জন, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, নদীয়াতে ২ জন করে, বীরভূম, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিংয়ে ১ জন করে মারা গিয়েছেন। তবে, রবিবারই ভারতে কেন্দ্রীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রক ও নিয়ামক সংস্থার অধীন সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটির সুপারিশ মেনে ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (ডিসিজিআই) অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড ও দেশীয় টিকা কোভ্যাক্সিনে ব্যবহারে অনুমোদন দিয়েছে। আর মঙ্গলবারই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ১৩ জানুয়ারি থেকে দেশে শুরু হচ্ছে করোনার টিকাকরণ। ফলে আশার আলো গোটা দেশজুড়েই।

যদিও আমজনতা কবে পাবে ভ্যাকসিন, সেই প্রশ্নের মীমাংসা করতে গিয়ে রীতিমতো সন্দেহের উদ্রেক হচ্ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে পাওয়া কয়েকটি তথ্যের ভিত্তিতে৷ সূত্রের খবর, ভারতে কোভিশিল্ডের উৎপাদক সিরাম ইনস্টিটিউট সংস্থার কাছে এই মুহূর্তে ৫ কোটি টিকার ডোজ মজুত করা রয়েছে৷ ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে মোট ১০ কোটি ডোজ তৈরি হবে। প্রথম পর্যায়ে ৩০ কোটি ভারতবাসীকে দু’টি করে টিকার ডোজ দেওয়া, সঙ্গে ন্যূনতম ১০ শতাংশ অপচয় হিসেব করলে অবিলম্বে ভারত সরকারের ৬৬ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ প্রয়োজন হবে৷ এই বিশাল পরিমাণ টিকার ডোজ কবে কী ভাবে পাওয়া যাবে? তা স্পষ্ট নয়।

ট্রেন্ডিং নিউজ