Homeপ্রথম পাতামুকুলের হাত ধরে তৃনমূলে ফিরছেন এই হেভিওয়েট নেতারা

মুকুলের হাত ধরে তৃনমূলে ফিরছেন এই হেভিওয়েট নেতারা

ইতিমধ্যে সল্টলেকের বাড়ি থেকে তৃণমূল ভবনের পৌঁছেছেন মুকুল রায়। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যেপাধ্যায়ও কালীঘাট থেকে তৃণমূল ভবনে পৌঁছেছেন। প্রায় সাড়ে তিন বছর মুখোমুখি হচ্ছেন তাঁরা। সঙ্গে রয়েছেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায়ও। সেখানেই তৃনমূলের পতাকা নিজের হাতে তুলে নেবেন মুকুল রায় ও তাঁর পুত্র। এদিকে মুকুল রায়ের পাশাপাশি রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত, সোনালী গুহ, শীলভদ্র দত্ত, প্রবীর ঘোষালেরও তৃনমূলে ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, তাঁদের সকলের সঙ্গেই বৃহস্পতিবার কয়েক দফা কথা বলেছেন খোদ মুকুল রায়। নিজে পুরনো দলে ফিরেই নেত্রীর সঙ্গে কথা বলে তাঁদের পুনরায় যোগদানের কথা বলবেন এমন আশ্বাসও দিয়েছে।

উল্লেখ্য, মুকুলের তৃণমূলে প্রত্যাবর্তন নিয়ে বেশ কিছুদিন জল্পনা চলছিল। তাঁর অসুস্থ স্ত্রীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর থেকে জল্পনা আরও জোরাল হয়েছিল। এরইমধ্যে শুভ্রাংশু রায় ঘুরিয়ে বিজেপিতে আত্মসমালোচনার পরামর্শ দিয়েছিলেন। এই সব ঘটনাক্রমে মুকুলের তৃণমূলে ফেরার জল্পনা জোরাল হয়। এদিকে কৃষ্ণনগর উত্তর লোকসভা আসনে প্রার্থী করেছিল বিজেপি। এতে তিনি খুব একটা রাজি ছিলেন না বলে খবর। তাছাড়া, বিজেপিতে শুভেন্দু অধিকারীর গুরুত্ব বৃদ্ধিতেও অসন্তুষ্ট হয়েছেন বলে খবর। কয়েকদিন আগে দলের একটি বৈঠকে গরহাজির থাকেন তিনি। অন্যদিকে, বিজেপিতে যোগ দিয়ে ভুল করেছেন, তাঁকে ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দিনকয়েক আগেই ক্ষমা প্রার্থনা করেন সোনালী গুহ। ভোটে পরাজিত হওয়ার পর থেকেই বেসুরো প্রবীর ঘোষাল, শীলভদ্র দত্ত ও সব্যসাচী দত্ত।

ট্রেন্ডিং নিউজ